1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীপুরে প্রেমের অভিমানে যুবকের আত্মহনন, ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার শেরপুর পুলিশ লাইন্স একাডেমিতে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত জমকালো আয়োজনে ‘দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’র ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নালিতাবাড়ীতে ‘পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব’ শীর্ষক পাঠচক্র অনুষ্ঠিত শেরপুরে ২০ এপ্রিল থেকে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু বাকেরগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও দোয়া মাহফিল রাজশাহীতে র‍্যাবের অভিযানে ৪১ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার বকশীগঞ্জে ১২৫০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ মোহনপুরে ধুরইল ইসলামিয়া বালিকা মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীন বরণ সম্পন্ন বাঘা থানা পরিদর্শন করলেন অ্যাডিশনাল ডিআইজি শামীম হোসেন

পঞ্চগড়ে হাতুড়ে ধাত্রী ও পল্লী চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যু!

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে
পঞ্চগড়ে হাতুড়ে ধাত্রী ও পল্লী চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যু!

মনজু হোসেন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড় সদর উপজেলায় এক হাতুড়ে ধাত্রী ও পল্লী চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। প্রসবকালীন ঝুঁকিপূর্ণ ও অপেশাদার পদ্ধতি অবলম্বনের কারণে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছে নবজাতকের পরিবার। এ নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৪ জানুয়ারি) রাতে সদর উপজেলার সন্ন্যাসী পাড়া গ্রামের গৃহবধূ শিমু-এর প্রসব বেদনা শুরু হয়। এসময় পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় ধাত্রী ও পল্লী চিকিৎসক (ফার্মাসিস্ট) আমিনা বেগমকে ডেকে আনেন।

স্বজনদের অভিযোগ, আমিনা বেগম কোনো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়াই এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন না করে জোরপূর্বক ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে প্রসব করানোর চেষ্টা করেন। এতে নবজাতক গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ভূমিষ্ঠ হয়। ভোরবেলা শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবারের অভিযোগ

মৃত নবজাতকের স্বজনরা জানান, প্রসবকালীন জটিলতা দেখা দিলেও আমিনা বেগম সময়মতো হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেননি। বরং নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ রেখে জোরপূর্বক ডেলিভারি করাতে গিয়ে নবজাতকের অপমৃত্যু ঘটিয়েছেন। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

অভিযুক্তের দাবি ও ‘আপোষ’

অভিযোগের বিষয়ে ধাত্রী আমিনা বেগম বলেন:

“আমি ব্র্যাক থেকে ১২ দিনের প্রসূতি ডেলিভারি প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করছি। প্রসবের সময় নবজাতক মারা যায়নি। তাছাড়া ওই পরিবারের সাথে আমাদের আপোষ হয়ে গেছে।”

স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বক্তব্য

১২ দিনের প্রশিক্ষণে ডেলিভারি করানোর বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (অতিঃ) ডাক্তার খায়রুল ইসলাম জানান:

“বর্তমানে হোম ডেলিভারি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে মাত্র ১২ দিনের প্রশিক্ষণ নিয়ে ডেলিভারি করানো একটি গুরুতর অপরাধ। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট