1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রংপুরে পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন বকশীগঞ্জ সীমান্তে পুশইন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে বিজিবি নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগে টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার রাণীনগরে গাছ কেটে জমি দখলের অভিযোগ, ভিডিও করায় গৃহবধূকে হেনস্তা শেরপুরে জেন্ডার স্টেরিওটাইপ নিরসনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা: ৩ দিন ধরে শূন্যরেখায় ১০ জনের মানবেতর জীবনযাপন, উত্তেজনা পঞ্চগড়ে সিজারের আগে খোলা স্বর্ণের চেইন ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ, নার্সের দাবি ‘হারিয়ে গেছে’ মধুপুরে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের ডাকে কলম বিরতি পালিত পঞ্চগড়ে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু নান্দাইলে দুই গ্রামের মুখোমুখি অবস্থান: সংঘাত এড়াতে ১৪৪ ধারা জারি

পঞ্চগড়ে হাতুড়ে ধাত্রী ও পল্লী চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যু!

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে
পঞ্চগড়ে হাতুড়ে ধাত্রী ও পল্লী চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যু!

মনজু হোসেন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড় সদর উপজেলায় এক হাতুড়ে ধাত্রী ও পল্লী চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। প্রসবকালীন ঝুঁকিপূর্ণ ও অপেশাদার পদ্ধতি অবলম্বনের কারণে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছে নবজাতকের পরিবার। এ নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৪ জানুয়ারি) রাতে সদর উপজেলার সন্ন্যাসী পাড়া গ্রামের গৃহবধূ শিমু-এর প্রসব বেদনা শুরু হয়। এসময় পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় ধাত্রী ও পল্লী চিকিৎসক (ফার্মাসিস্ট) আমিনা বেগমকে ডেকে আনেন।

স্বজনদের অভিযোগ, আমিনা বেগম কোনো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়াই এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন না করে জোরপূর্বক ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে প্রসব করানোর চেষ্টা করেন। এতে নবজাতক গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ভূমিষ্ঠ হয়। ভোরবেলা শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবারের অভিযোগ

মৃত নবজাতকের স্বজনরা জানান, প্রসবকালীন জটিলতা দেখা দিলেও আমিনা বেগম সময়মতো হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেননি। বরং নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ রেখে জোরপূর্বক ডেলিভারি করাতে গিয়ে নবজাতকের অপমৃত্যু ঘটিয়েছেন। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

অভিযুক্তের দাবি ও ‘আপোষ’

অভিযোগের বিষয়ে ধাত্রী আমিনা বেগম বলেন:

“আমি ব্র্যাক থেকে ১২ দিনের প্রসূতি ডেলিভারি প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করছি। প্রসবের সময় নবজাতক মারা যায়নি। তাছাড়া ওই পরিবারের সাথে আমাদের আপোষ হয়ে গেছে।”

স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বক্তব্য

১২ দিনের প্রশিক্ষণে ডেলিভারি করানোর বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (অতিঃ) ডাক্তার খায়রুল ইসলাম জানান:

“বর্তমানে হোম ডেলিভারি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে মাত্র ১২ দিনের প্রশিক্ষণ নিয়ে ডেলিভারি করানো একটি গুরুতর অপরাধ। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট