1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চিরিরবন্দরে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন: প্রকৃত কৃষকদের ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ সংস্কার না হলে চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি বন্ধ হবে না: তেঁতুলিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী শেরপুরে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত রাণীনগর উপজেলা পরিষদে নতুন পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন গাজীপুরে মদ ভেবে মিথানল পান: দুই তরুণের মৃত্যু, একজন হাসপাতালে রাজশাহীর বাঘায় পদ্মা নদীতে মহিষ গোসল করাতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু পঞ্চগড়ে সার নিয়ে কারসাজি করলে আইনের হাতে তুলে দিন: প্রতিমন্ত্রী নান্দাইলে ভাড়াটিয়া গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা: বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা, হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাঁচবিবিতে গাভী বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী ডা. জরিফ হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি আকরামুল, সম্পাদক শাকিল

পঞ্চগড়ে সার নিয়ে কারসাজি করলে আইনের হাতে তুলে দিন: প্রতিমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে
পঞ্চগড়ে সার নিয়ে কারসাজি করলে আইনের হাতে তুলে দিন: প্রতিমন্ত্রী

মনজু হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার | পঞ্চগড়

সরকারের পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে। কেউ যদি সার নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা কোনো ধরনের কারসাজির চেষ্টা করে, তবে তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। এমন ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের প্রতি কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

রোববার (১৯ জুলাই ২০২৬) দুপুরে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বোদা মডেল পাইলট সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত ‘কৃষি ঋণ মওকুফ সনদপত্র বিতরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কৃষকেরা যাতে নির্বিঘ্নে কৃষিকাজ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, কৃষকের উন্নতি হলে দেশেরও উন্নতি হবে এবং কৃষক স্বাবলম্বী হলে দেশও স্বাবলম্বী হবে।” তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর দেশ এবং বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব। তাই সার নিয়ে সংকট সৃষ্টি বা কারসাজি করলে সে যে দলের, মতের বা ধর্মেরই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

অনুষ্ঠানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, তিনি খাদ্য সংকট মোকাবিলায় বহুমাত্রিক কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। ১৯৭৮-৭৯ সালে তিনিই প্রথম ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় স্বল্প সুদে ও বিনা জামানতে কৃষি ঋণ চালু করেন এবং ১০০ কোটি টাকার স্বল্পমেয়াদি কৃষি শস্য উৎপাদন তহবিল গঠন করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সালের মধ্যে কৃষি ঋণের পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। বেগম খালেদা জিয়া দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কৃষকদের ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খেলাপি কৃষি ঋণ সম্পূর্ণ মওকুফ করেছিলেন। ২০০১ সালে সরকার গঠনের পর তিনি ‘প্রতিটি বাড়ি হবে ক্ষুদ্র খামার’ ধারণাকে সামনে রেখে গৃহপালিত পশু, হাঁস-মুরগি, মাছসহ বিভিন্ন খাতে বিনা জামানতে কৃষি ঋণ বিতরণ প্রক্রিয়া আরও সহজ করেছিলেন।

অনুষ্ঠানে বোদা উপজেলার ৫ হাজার ৮৯০ জন কৃষকের মাঝে মোট ৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকার কৃষি ঋণ মওকুফের সনদপত্র বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি প্রতিটি কৃষককে পাঁচটি করে মোট ২৯ হাজার ৪৫০টি ফলজ, বনজ ও অন্যান্য গাছের চারা প্রদান করা হয়।

জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার আবু সাইম, বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহেমদ রাশেদ উন নবী। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ব্যাংকের প্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে কৃষকদের অংশগ্রহণে একটি ‘কৃষক আনন্দ মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন খেলাধুলা ও আনন্দঘন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট