1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান শেরপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউল করিম খান আড়ানী ডিগ্রি কলেজে ৩১টি নতুন ডেস্কটপ কম্পিউটার প্রদান শ্রীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু রাণীনগরে লটারির মাধ্যমে এলসিএস নারী শ্রমিক বাছাই সম্পন্ন চিরিরবন্দরে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মধুপুর পৌরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন মেয়র প্রার্থী খন্দকার মোতালিব গাজীপুরে পুলিশের গারদখানা থেকে পালিয়ে যাওয়া ৩২ মামলার আসামি সম্রাট গ্রেপ্তার টঙ্গীতে পাওনা আদায় ও অপপ্রচার বন্ধের দাবিতে শ্রমিক-ঠিকাদারদের অবস্থান সাবেক রূপালী ব্যাংক ব্যবস্থাপকের ২৫ বছরের কারাদণ্ড হরিঢালী ও কপিলমুনি ইউনিয়নকে শিশু শ্রম, বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া ও বাল্যবিবাহমুক্ত করতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চায় ওয়ার্ল্ড ভিশন

রাণীনগরে পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের দোকানঘর ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করলেন ইউপি চেয়ারম্যান

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২১৯ বার পড়া হয়েছে
রাণীনগরে পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের দোকানঘর ভাঙচুর নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের বক্তব্য
রাণীনগরে পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের দোকানঘর ভাঙচুর নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের বক্তব্য

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্মিত ইটের দোকানঘর ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পারইল ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান জাহিদ। রোববার দুপুরে উপজেলার পারইল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ উড়িয়ে দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের দোকানঘর ও অন্যান্য স্থাপনা ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

সংবাদ সম্মেলনে ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান জানান, পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের এ্যাডহক কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র সাহা বিদ্যালয়ের গ্যারেজের জায়গায় আইনবিরুদ্ধভাবে দোকানঘর নির্মাণ করছিলেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হলেও তারা পুনরায় চেষ্টা করলে বিক্ষুদ্ধ স্থানীয়রা ইটের দেয়াল ভেঙে দেয়। তিনি উল্লেখ করেন, নামাজের ওয়াক্তা খানায় কোনো ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি।

চেয়ারম্যান লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন মিডিয়ায় তাকে নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রচার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি দাবি করেন, বিদ্যালয়ের দোকানঘর বা নামাজের ওয়াক্তা খানা ভাঙচুরের সঙ্গে তিনি বা তার কোন সহযোগী জড়িত নন। এছাড়া ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদার অভিযোগও মিথ্যা ও বানোয়াট।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়ের এ্যাডহক কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক স্থানীয় একজনের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে ইটের দোকানঘর নির্মাণের চেষ্টা করছিলেন। বিদ্যালয়ে কোনো অ্যাসেম্বলি আয়োজন না হওয়ার কারণে স্থানীয়রা তাকে বারবার অভিযোগ জানিয়েছিল। এই বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে বিদ্যালয়ে গিয়ে তথ্য সংগ্রহের পর উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। তিনি বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকই মিথ্যা অভিযোগ তুলে তার বিরুদ্ধে দোষ চাপাচ্ছে।

চেয়ারম্যান দ্রুত সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দায়িত্বহীনদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় মেহেদী হাসান, আসলাম হোসেন, এরশাদ হোসেন, আনারুল ইসলাম, তোফাজ্জল হোসেনসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র সাহা সংবাদদাতার সঙ্গে যোগাযোগে সাড়া দেননি। তবে এ্যাডহক কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম দাবি করেন, ভাঙচুরের দিনে তিনি উপস্থিত ছিলেন না এবং টাকা নিয়ে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগও মিথ্যা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট